প্রকৃতি ও সৌন্দর্য্য

প্রকৃতি ও সৌন্দর্য্য

শান্তির নীড়: গাজীপুরের খাতিয়া ভ্রমণ

প্রকৃতি ও সৌন্দর্য্য
যান্ত্রিক শহরের ব্যস্ততা থেকে মুক্তি পেতে আমরা অনেকেই সপ্তাহান্তে একটু নিরিবিলি জায়গার খোঁজ করি। যারা খুব বেশি দূরে না গিয়ে একদিনের মধ্যেই সবুজের ছোঁয়া এবং পানির শান্ত রূপ উপভোগ করতে চান, তাদের জন্য গাজীপুর সদর উপজেলার 'খাতিয়া' গ্রামটি হতে পারে একটি দারুণ গন্তব্য। কেন যাবেন খাতিয়া? খাতিয়া গ্রামের মূল আকর্ষণ হলো সেখানকার খোলামেলা প্রাকৃতিক পরিবেশ। বিশেষ করে 'খাতিয়া ব্রিজ' এলাকাটি পর্যটকদের কাছে খুবই প্রিয়। ব্রিজের নিচে বিশাল বেলাই বিল, আর দুপাশে বিস্তৃত ফসলের মাঠ—এই দৃশ্য আপনার ক্লান্তি দূর করতে বাধ্য। শহুরে কোলাহল থেকে দূরে, গ্রামীণ জীবনের ধীরগতি উপভোগ করার জন্য এটি একটি আদর্শ জায়গা। ভ্রমণের সেরা সময় বর্ষাকাল: বর্ষায় যখন বেলাই বিল পানিতে ভরে ওঠে, তখন খাতিয়ার রূপ হয় দেখার মতো। নৌকায় করে পুরো বিল ঘোরার আনন্দই আলাদা। শীতকাল: শীতের কুয়াশাচ্ছন্ন সকালে বিলের পাড়ে সময় কাটানো ...
ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক যেন এক টুকরো জাপান: মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে ক্যাসিয়া রেনিজেরা

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক যেন এক টুকরো জাপান: মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে ক্যাসিয়া রেনিজেরা

প্রকৃতি ও সৌন্দর্য্য
ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক যেন এক টুকরো জাপান: সড়ক বিভাজকে ক্যাসিয়া রেনিজেরার মুগ্ধতা PriyoGazipur.com  ৫ মার্চ, ২০২৬ বসন্তের মাতাল হাওয়ায় প্রকৃতি যখন নতুন রূপে সাজে, তখন গাজীপুরের ব্যস্ততম ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক এক অপার্থিব রূপ ধারণ করেছে। ধুলোবালি আর যান্ত্রিক কোলাহলের এই মহাসড়ক এখন আর আগের মতো প্রাণহীন নেই। গাজীপুরের বুক চিরে চলে যাওয়া এই মহাসড়কের বিভাজক বা ডিভাইডারের মাঝখানে এখন ফুটেছে রক্তরাঙা পলাশ আর জাপানি চেরি গোত্রের নয়নাভিরাম ‘ক্যাসিয়া রেনিজেরা’। সাদা, হালকা গোলাপি ও গাঢ় গোলাপি ফুলের এই মিতালি দেখে মনে হতে পারে, আপনি হয়তো বাংলাদেশের কোনো সড়ক নয়, বরং জাপানের কোনো চেরি ব্লসম ঘেরা পথে ভ্রমণ করছেন। ভাওয়ালের গহীন বন আর ফুলের মেলবন্ধন গাজীপুর মহানগরীর চান্দনা চৌরাস্তা থেকে উত্তরের দিকে কয়েক কিলোমিটার এগোলেই দুই পাশে চোখে পড়ে ভাওয়ালের ঐতিহাসিক শাল-গজারি বন। এই সবুজের মাঝখান দিয়ে ব...
কাপাসিয়ায় প্রকৃতির বিস্ময় পলাশ: কেন ভিড় হাজারো পর্যটকের?

কাপাসিয়ায় প্রকৃতির বিস্ময় পলাশ: কেন ভিড় হাজারো পর্যটকের?

প্রকৃতি ও সৌন্দর্য্য
প্রকৃতি তার আপন খেয়ালে কত যে রূপের ডালি সাজিয়ে রাখে, তার প্রমাণ মেলে গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলায়। ঋতুরাজ বসন্তের আগমনে যখন চারদিক প্রকৃতির মায়াবী রূপে সেজে ওঠে, তখন সেই সৌন্দর্যকে এক নতুন মাত্রা দিয়েছে একটি 'লাল ও কমলা' রঙের পলাশ গাছ। সাধারণত পলাশ ফুলের পরিচিত রঙের বাইরে গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার বারীষাব ইউনিয়নের ছেলদিয়া গ্রামে ফুটে থাকা এই বিরল লাল ও কমলা পলাশ এখন সারা দেশের প্রকৃতিপ্রেমী ও পর্যটকদের কাছে এক পরম বিস্ময়। পলাশের উৎস ও অবস্থান গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার বারীষাব ইউনিয়নটি মূলত কৃষিপ্রধান ও সবুজে ঘেরা একটি শান্ত এলাকা। এখানকার ছেলদিয়া গ্রামের একটি পুরনো ভিটায় এই গাছটি দাঁড়িয়ে আছে। স্থানীয় প্রবীণদের মতে, গাছটি বেশ কয়েক বছর ধরেই এখানে বিদ্যমান, তবে এর বিরলত্বের বিষয়টি আগে এতটা গুরুত্ব পায়নি। সাধারণত সচরাচর যে রঙের পলাশ দেখা যায়, তার চেয়ে এই গাছটির লাল ও কমলা রঙ মান...
গাজীপুরের পিরুজালীতে প্রকৃতির বিস্ময়কর ‘জয়না গাছ’

গাজীপুরের পিরুজালীতে প্রকৃতির বিস্ময়কর ‘জয়না গাছ’

প্রকৃতি ও সৌন্দর্য্য
গাজীপুরের পিরুজালীতে প্রকৃতির বিস্ময়কর ‘জয়না গাছ’ প্রকৃতি সবসময়ই তার আপন খেয়ালে রূপ পরিবর্তন করে মানুষকে মুগ্ধ করে। বাংলাদেশের প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যের এক অনন্য নিদর্শন হয়ে দাঁড়িয়ে আছে গাজীপুরের পিরুজালী গ্রামের সেই শতবর্ষী ‘জয়না গাছ’। স্থানীয়দের কাছে এটি ‘কুসুম গাছ’ হিসেবেও পরিচিত। বসন্তের আগমনে এই গাছটি যখন তার পুরনো পাতা ঝরিয়ে নতুন কচি পাতায় ভরে ওঠে, তখন পুরো এলাকা এক মায়াবী লাল রঙে ছেয়ে যায়। দূর থেকে দেখলে মনে হয় যেন বিশাল এক লাল গালিচা বিছিয়ে রাখা হয়েছে আকাশের নিচে। বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও পর্যটকদের ভিড়ে এই গাছটি কেবল একটি উদ্ভিদ নয়, বরং একটি দর্শনীয় স্থানে পরিণত হয়েছে। জয়না বা কুসুম গাছের পরিচয়: উদ্ভিদবিজ্ঞানের ভাষায় এই গাছটি ‘কুসুম’ (Schleichera oleosa) নামে পরিচিত হলেও গাজীপুর ও এর আশেপাশের অঞ্চলে এটি ‘জয়না গাছ’ নামে সমধিক পরিচিত। এটি একটি পর্ণমোচী বা পত্রঝরা বৃক্ষ। এক...