গাজীপুর জেলার প্রধান প্রধান বাজারের নাম

গাজীপুর বাংলাদেশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শিল্প, ঐতিহ্যবাহী এবং বাণিজ্যিক জেলা। ঢাকা বিভাগের অন্তর্গত এই জেলাটি একদিকে যেমন কলকারখানা ও পোশাকশিল্পের জন্য বিখ্যাত, অন্যদিকে এর বিস্তীর্ণ অঞ্চলজুড়ে রয়েছে ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ হাট-বাজার। রাজধানী ঢাকার প্রবেশদ্বার হওয়ায় এবং বিপুল জনসংখ্যা ও শ্রমিকের বসবাসের কারণে গাজীপুরের প্রতিটি উপজেলা ও ইউনিয়নে অসংখ্য বড় বড় বাজার গড়ে উঠেছে।

আপনার জন্য গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন এবং জেলার ৫টি উপজেলার (সদর, শ্রীপুর, কালিয়াকৈর, কাপাসিয়া, কালীগঞ্জ) প্রধান প্রধান হাট-বাজারের একটি দীর্ঘ ও বিস্তারিত তথ্যসমৃদ্ধ তালিকা নিচে দেওয়া হলো।

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন এলাকা (বিস্তারিত)

গাজীপুর মহানগরী বা সিটি কর্পোরেশন এলাকাটি মূলত দেশের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক ও শিল্প জোন। এখানকার বাজারগুলো দিন-রাত ২৪ ঘণ্টাই প্রায় সচল থাকে।

টাউন বাজার ও কেন্দ্রীয় এলাকা

১. টাউন বাজার পিডব্লিউডি মহল্লা: সরকারি কোয়ার্টার ও অফিস সংলগ্ন একটি ব্যস্ত বাজার। ২. টাউন বাজার ডক্টরস মহল্লা ও সনোভিউ হাসপাতাল সংলগ্ন: এখানে মূলত ফার্মেসী, ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দোকান বেশি। ৩. টাউন বাজার রেডিওগল্লি ও কলোনী মহল্লা: স্থানীয় আবাসিক এলাকার বাসিন্দাদের প্রধান বাজার। ৪. টাউন চিলড্রেন মহল্লা বাজার: শিশু খাদ্য ও সাধারণ প্রসাধনীর জন্য পরিচিত। ৫. টাউন বাজার খাস মহল্লা: শহরের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী খুচরা বাজার। ৬. টাউন ওয়েস্ট কান্দিরপাড় বাজার: পশ্চিম কান্দিরপাড় এলাকার প্রধান কাঁচাবাজার। ৭. এডভোকেটস্ পাড়া বাজার: জজ কোর্ট ও আইনজীবী পাড়া সংলগ্ন ছোট বাজার। ৮. সাহাপাড়া পাড়া বাজার: স্থানীয় সাহাপাড়া এলাকার নিত্যপ্রয়োজনীয় বাজার। ৯. সাহাপাড়া মোড় হইতে মার্কেট কাঁচা বাজার: একটি দীর্ঘ বাজার রোড, যেখানে সব ধরনের কাঁচা সবজি পাওয়া যায়। ১০. সাহা পাড়া মূল বাজার: মুদি ও মনোহরি মালের জন্য প্রসিদ্ধ।

সোনাপুর, শিমুলতলী ও কিচেন মার্কেট এলাকা

১১. নীলের পাড়া বাজার: এই এলাকার বিশাল অংশ জুড়ে রয়েছে বড় কাঁচা বাজার, মাছ বাজার, মাংস বাজার ও কসাই মহল্লা। ১২. মাছ বাজার (সোনাপুর কিচেন মার্কেট): গাজীপুর সিটির অন্যতম বৃহৎ পাইকারি ও খুচরা মাছের আড়ত। ১৩. তরকারী বাজার (সোনাপুর কিচেন মার্কেট): ভোররাত থেকে এখানে টাটকা সবজির পাইকারি বেচাকেনা হয়। ১৪. হাঁস, মুরগি ও মাংস বাজার (সোনাপুর): লাইভ বার্ড এবং প্রক্রিয়াজাত মাংসের বড় কেন্দ্র। ১৫. পশুর বাজার সোনাপুর (মাছখোল): গাজীপুরের স্থায়ী পশুর হাটগুলোর একটি, বিশেষ করে কোরবানির ঈদে এখানে বিশাল হাট বসে। ১৬. আজমেরী কমার্শিয়াল (শিমুলতলী, সোনাপুর): প্রিমিয়ার লিজিং সংলগ্ন আধুনিক বাণিজ্যিক কেন্দ্র ও সুপার শপ। ১৭. আজমেরী মার্কেটের পিছনে মন্ডল পাড়া কলোনী মহল্লা: ঘনবসতিপূর্ণ কলোনি এলাকার স্থানীয় বাজার। ১৮. শিমুলতলী পাড়া বাজার: বিআইটিসি সংলগ্ন এলাকার প্রধান কাঁচাবাজার। ১৯. উত্তর পাড়া বাজার: শিমুলতলীর উত্তর অংশের স্থানীয় বাজার। ২০. বি.আই.টি.সি পাড়া বাজার: বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্স সংলগ্ন বাজার। ২১. হিলটন পাড়া বাজার: হিলটন আবাসিক এলাকার মানুষের প্রধান বাজার।

চাটখিল ও সংলগ্ন এলাকা

২২. মন্ডল পাড়া বাজার (চাটখিল): চাটখিল অঞ্চলের একটি প্রাচীন স্থানীয় হাট। ২৩. জোয়ারদার পাড়া বাজার (চাটখিল): গ্রামীণ ও আধা-শহুরে পণ্যের সমাহার। ২৪. মাস্টারবাড়ী পাড়া বাজার (চাটখিল): চাকরিজীবী ও স্থানীয়দের জন্য বিকালের বাজার। ২৫. উলি পাড়া বাজার: চাটখিলের একটি ছোট কিন্তু ব্যস্ত বাজার। ২৬. এ.বি.সি ট্রাস্ট হাসপাতাল সংলগ্ন পাড়া বাজার: হাসপাতাল কেন্দ্রিক ফার্মেসী ও ফলমূলের বাজার। ২৭. দেওয়ান পাড়া ও খোয়ারের বাজার (চাটখিল): ডেইরি পণ্য ও গবাদি পশুর খড়-ভুসির জন্য পরিচিত।

অন্যান্য সিটি কর্পোরেশন এলাকা

২৮. বোর্ড বাজার (আংশিক): ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে অবস্থিত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং বিশাল বাণিজ্যিক এলাকা। এখানে ইলেকট্রনিক্স এবং কাপড়ের বড় বাজার রয়েছে। ২৯. মালোপাড়া খাঁড়ী বাজার (আংশিক): জেলে পাড়া সংলগ্ন ঐতিহ্যবাহী মাছের বাজার। ৩০. সুপারমার্কেট বাজার (আংশিক): আধুনিক জামাকাপড় ও কসমেটিক্সের দোকান। ৩১. চম্পা গোল্ডেন সহ, মাংস, মুরগি ও কাঁচা বাজার: বহুমুখী নিত্যপ্রয়োজনীয় বাজার। ৩২. ঢোল্লাপাড়া টি.এন্ড.টি পাড়া বাজার: টিঅ্যান্ডটি কলোনির ভেতরের বাজার। ৩৩. সাহাজাদপুর বি.এম.টি মোড় হতে ইছাপুর মোড় বাজার: রাস্তার দুপাশে গড়ে ওঠা দীর্ঘ বাজার। ৩৪. কসাই পাড়া ও খোয়ারের বাজার (সদর): মাংসের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। ৩৫. কোলাপুরী পাড়া বাজার: স্থানীয় কোলাপুরী এলাকার বাজার। ৩৬. কোলাপুরী টু স্ট্যান্ড বাজার: প্রিমিয়ার লিজিং সংলগ্ন পরিবহন শ্রমিক ও যাত্রীদের কেন্দ্রিক বাজার। ৩৭. লক্ষ্মীপুর পাড়া ও রোড সংলগ্ন বাজার: লক্ষ্মীপুর এলাকার প্রধান বাজার। ৩৮. জিবনী পাড়া বাজার: তুলনামূলক নতুন ও বর্ধনশীল বাজার। ৩৯. ভোগড়া বাইপাস বাজার: উত্তরবঙ্গ ও ময়মনসিংহগামী রাস্তার সংযোগস্থলে অবস্থিত বিশাল ফলের ও কাঁচামালের আড়ত। ৪০. কোনাবাড়ী বাজার: গাজীপুরের অন্যতম বৃহত্তম শিল্পাঞ্চল বাজার। লাখ লাখ পোশাক শ্রমিকের কেনাকাটার মূল কেন্দ্র। ৪১. চৌরাস্তা কাঁচাবাজার ও হকার্স মার্কেট: জয়দেবপুর চৌরাস্তার পাশে অবস্থিত বিশাল বাজার। ৪২. টঙ্গী বাজার ও টঙ্গী নতুন বাজার: ঢাকা ও গাজীপুরের সীমানায় অবস্থিত তুরাগ নদীর তীরের এই বাজারটি কাপড়ের পাইকারি ব্যবসা এবং বড় আড়তের জন্য দেশজুড়ে বিখ্যাত।

গাজীপুর সদর উপজেলা (ইউনিয়ন ভিত্তিক)

গাজীপুর সদর উপজেলার ইউনিয়নগুলোর হাট-বাজার গ্রামীণ অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে।

  • মির্জাপুর ইউনিয়ন: ৪৩. মির্জাপুর হাট-বাজার (ঐতিহ্যবাহী বড় হাট) ৪৪. পাইনশাইল বাজার

  • ভাওয়ালগড় ইউনিয়ন: ৪৫. ভবানীপুর হাট-বাজার (শিল্পকারখানা বেষ্টিত বড় বাজার) ৪৬. মনিপুর বাজার ৪৭. বাঘের বাজার (ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক সংলগ্ন অত্যন্ত ব্যস্ত বাজার) ৪৮. মেম্বার বাড়ি বাজার

  • পিরুজালী ইউনিয়ন: ৪৯. পিরুজালী ফকির বাড়ী বাজার ৫০. পিরুজালী হাটখোলা বাজার (গ্রাম্য টাটকা সবজির জন্য বিখ্যাত) ৫১. পিরুজালী আলীম বাজার

  • বাড়ীয়া ইউনিয়ন: ৫২. কুমুন বাজার ৫৩. বাড়িয়া হাট-বাজার ৫৪. আমজাদ আলী বাজার

শ্রীপুর উপজেলা (শিল্প ও কৃষির মিলনস্থল)

শ্রীপুর উপজেলা বর্তমানে গাজীপুরের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল অঞ্চল। এখানে কৃষিপণ্য এবং বিশাল সব কাঁচাবাজারের আড়ত রয়েছে।

  • প্রধান প্রধান বাজার: ৫৫. মাওনা চৌরাস্তা বাজার: শ্রীপুরের প্রাণকেন্দ্র। এটি গাজীপুর জেলার অন্যতম বৃহত্তম এবং ২৪ ঘণ্টা সচল বাণিজ্যিক শহর। এখানে বহুতল শপিং মল থেকে শুরু করে বিশাল কাঁচাবাজার ও মাছের আড়ত রয়েছে। ৫৬. বরমী বাজার: শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে অবস্থিত অত্যন্ত প্রাচীন ও ঐতিহাসিক বাজার। একসময় এটি নদী বন্দর ছিল। এখানকার কাঠের ব্যবসা এবং ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি বিখ্যাত। ৫৭. শ্রীপুর সদর বাজার: রেল স্টেশন সংলগ্ন শ্রীপুর পৌরসভার মূল বাজার। ৫৮. জৈনা বাজার: ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে অবস্থিত। বিশাল কাঁচামালের আড়ত এবং ফলমূলের পাইকারি বাজার। ৫৯. এমসি বাজার: বড় বড় পোশাক কারখানা সংলগ্ন শ্রমিক প্রধান বাজার। ৬০. কাওরাইদ বাজার: রেল স্টেশন কেন্দ্রিক প্রাচীন বাজার, যা ফল ও গ্রামীণ পণ্যের জন্য পরিচিত। ৬১. রাজাবাড়ী বাজার: ঢাকা-কপাসিয়া মহাসড়কের পাশে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী বাজার। ৬২. গোসিংগা বাজার: শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ে অবস্থিত মনোরম গ্রামীণ বাজার। ৬৩. ধনুয়া বাজার: সিরামিক ও টেক্সটাইল মিল সংলগ্ন বাজার। ৬৪. নয়নপুর বাজার: কাঁচামাল ও খুচরা কেনাকাটার স্থানীয় কেন্দ্র। ৬৫. টেপিরবাড়ী বাজার: গ্রামীণ ও আধা-শহুরে বাজার।

কালিয়াকৈর উপজেলা (হাইটেক ও শিল্পাঞ্চল)

বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটি এবং অসংখ্য স্পিনিং ও টেক্সটাইল মিলের কারণে কালিয়াকৈরের বাজারগুলো বেশ বড় ও জনাকীর্ণ।

  • প্রধান প্রধান বাজার: ৬৬. কালিয়াকৈর বাজার: কালিয়াকৈর পৌরসভার প্রধান ও সবচেয়ে পুরনো বাজার। ৬৭. সফিপুর বাজার: অত্যন্ত ব্যস্ত বাণিজ্যিক এলাকা। এখানে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাশে বিশাল বাজার বসে। ৬৮. চন্দ্রা বাজার: উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার চন্দ্রা ত্রিমোড়ে অবস্থিত। দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা সচল বাস টার্মিনাল কেন্দ্রিক বাজার। ৬৯. মৌচাক বাজার: পোশাক শিল্পের কেন্দ্রবিন্দু। বিকেলে এখানে লাখো শ্রমিকের সমাগম ঘটে। ৭০. ফুলবাড়ীয়া বাজার: কালিয়াকৈরের উত্তর অঞ্চলের একটি বিশাল ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ হাট। ৭১. লতিফপুর বাজার: স্থানীয় কৃষি পণ্যের বড় বাজার। ৭২. চাপাইর বাজার: তুরাগ নদীর তীরে অবস্থিত প্রাচীন বাজার। ৭৩. বড়ইবাড়ী বাজার: ঐতিহাসিক পটভূমি সম্পন্ন গ্রামীণ বাজার। ৭৪. সূত্রাপুর বাজার: কালিয়াকৈর ও টাঙ্গাইলের সীমানায় অবস্থিত বাজার। ৭৫. সিনাবহ বাজার: স্থানীয় আবাসিক এলাকার কেনাকাটার কেন্দ্র।

কাপাসিয়া উপজেলা (কৃষি ও ফলমূলের জন্য বিখ্যাত)

কাপাসিয়া মূলত কৃষিপ্রধান উপজেলা। এখানকার শীতলক্ষা নদীর তীরের বাজারগুলো থেকে প্রতিদিন শত শত টন কাঁঠাল, পেয়ারা এবং শীতকালীন সবজি ঢাকায় সরবরাহ করা হয়।

  • প্রধান প্রধান বাজার: ৭৬. কাপাসিয়া সদর বাজার: কাপাসিয়া উপজেলার প্রধান প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক বাজার। ৭৭. টোক বাজার: কাপাসিয়া ও কিশোরগঞ্জের সীমানায় অবস্থিত অত্যন্ত প্রাচীন ও ঐতিহাসিক নদী বন্দর বাজার। এটি বিশাল সবজি ও মাছের আড়তের জন্য বিখ্যাত। ৭৮. আমরাইদ (Aam Raid) বাজার: কাপাসিয়ার অন্যতম বৃহৎ কাপড়ের ও কাঁচামালের বাজার। ৭৯. রাণীগঞ্জ বাজার: শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে অবস্থিত একটি প্রাচীন ও বড় বাণিজ্যিক কেন্দ্র। ৮০. ঘাগটিয়া বাজার: স্থানীয় গ্রামীণ হাট, যেখানে সপ্তাহে দুই দিন বড় হাট বসে। ৮১. খিরাটি বাজার: কৃষি পণ্য কেনাবেচার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। ৮২. সিংহশ্রী বাজার: শীতলক্ষ্যার পাড়ে অবস্থিত কাপাসিয়ার উত্তর সীমান্তের অন্যতম বড় বাজার। ৮৩. কালেখার বাজার: স্থানীয় কাঁচামাল ও পোল্ট্রি পণ্যের বাজার। ৮৪. সনমানিয়া বাজার: সবজি চাষীদের প্রধান বিক্রয় কেন্দ্র। ৮৫. তারագঞ্জ বাজার: ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ হাট।

কালীগঞ্জ উপজেলা (ঐতিহ্য ও কুটির শিল্প)

কালীগঞ্জ উপজেলাটি মসলিন কাপড়ের ঐতিহাসিক অঞ্চল এবং বর্তমানে শীতলক্ষ্যার তীরের বিভিন্ন ভারি শিল্পের কারণে উন্নত।

  • প্রধান প্রধান বাজার: ৮৬. কালীগঞ্জ সদর বাজার: কালীগঞ্জ পৌরসভার প্রধান বাজার। কাপড় এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় মালের জন্য বিখ্যাত। ৮৭. পূবাইল বাজার: যদিও পূবাইল এখন সিটি কর্পোরেশনের আওতায়, তবে কালীগঞ্জ সংলগ্ন এই বাজারটি উত্তরার কাছাকাছি হওয়ায় বেশ উন্নত। ৮৮. জামালপুর বাজার: কালীগঞ্জের অন্যতম বড় ও ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ হাট। ৮৯. উলুখোলা বাজার: ঢাকা-বাইপাস সড়কের পাশে অবস্থিত। বর্তমানে এটি বেশ আধুনিক বাজারে পরিণত হয়েছে। ৯০. দালান বাজার: কালীগঞ্জের একটি স্থানীয় গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক মোড় ও বাজার। ৯১. দেওপাড়া বাজার: স্থানীয় সবজি ও পোল্ট্রি ব্যবসার কেন্দ্র। ৯২. নাগরি বাজার: ঐতিহাসিক চার্চ সংলগ্ন এলাকার ঐতিহ্যবাহী বাজার। ৯৩. বক্তারপুর বাজার: গ্রামীণ পণ্যের বড় সমাহার বসে এই হাটে। ৯৪. বাহাদুরপুর বাজার: স্থানীয় ছোট ও মাঝারি বাজারের একটি।

গাজীপুরের হাট-বাজারের বিশেষ বৈশিষ্ট্য: ১. পাইকারি আড়ত: ভোগড়া, মাওনা, টোক এবং টঙ্গী বাজার হলো পাইকারি আড়তের জন্য বিখ্যাত। এখান থেকে কাঁচামাল ঢাকার কারওয়ান বাজারসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যায়। ২. শিল্পাঞ্চল কেন্দ্রিক বাজার: কোনাবাড়ী, সফিপুর, মৌচাক এবং বোর্ড বাজার মূলত পোশাক কারখানার শ্রমিকদের কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। এখানে সাশ্রয়ী মূল্যে জামাকাপড় ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পাওয়া যায়। ৩. ঐতিহাসিক নদী বন্দর: বরমী, টোক এবং রাণীগঞ্জ বাজারগুলো ব্রিটিশ আমল বা তারও আগে থেকে শীতলক্ষ্যা নদীর সুবাদে বড় বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে টিকে রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *