
গাজীপুর জেলার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৬ আজকের সেহরির শেষ সময় গাজীপুর
সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৬
গাজীপুর জেলা (১৪৪৭ হিজরী)
| রমজান | তারিখ | সাহরীর শেষ সময় | ফজরের আযান | ইফতারের সময় শুরু |
|---|---|---|---|---|
| ০১* | ১৯ ফেব্রুয়ারি | ৫:১১ | ৫:১৪ | ৫:৫৭ |
| ০২ | ২০ ফেব্রুয়ারি | ৫:১১ | ৫:১৪ | ৫:৫৮ |
| ০৩ | ২১ ফেব্রুয়ারি | ৫:১০ | ৫:১৩ | ৫:৫৮ |
| ০৪ | ২২ ফেব্রুয়ারি | ৫:০৯ | ৫:১২ | ৫:৫৯ |
| ০৫ | ২৩ ফেব্রুয়ারি | ৫:০৯ | ৫:১২ | ৫:৫৯ |
| ০৬ | ২৪ ফেব্রুয়ারি | ৫:০৮ | ৫:১১ | ৬:০০ |
| ০৭ | ২৫ ফেব্রুয়ারি | ৫:০৭ | ৫:১০ | ৬:০০ |
| ০৮ | ২৬ ফেব্রুয়ারি | ৫:০৬ | ৫:০৯ | ৬:০১ |
| ০৯ | ২৭ ফেব্রুয়ারি | ৫:০৫ | ৫:০৯ | ৬:০১ |
| ১০ | ২৮ ফেব্রুয়ারি | ৫:০৫ | ৫:০৮ | ৬:০২ |
| ১১ | ০১ মার্চ | ৫:০৪ | ৫:০৭ | ৬:০২ |
| ১২ | ০২ মার্চ | ৫:০৩ | ৫:০৬ | ৬:০৩ |
| ১৩ | ০৩ মার্চ | ৫:০২ | ৫:০৫ | ৬:০৩ |
| ১৪ | ০৪ মার্চ | ৫:০১ | ৫:০৪ | ৬:০৪ |
| ১৫ | ০৫ মার্চ | ৫:০০ | ৫:০৩ | ৬:০৪ |
| ১৬ | ০৬ মার্চ | ৪:৫৯ | ৫:০৩ | ৬:০৫ |
| ১৭ | ০৭ মার্চ | ৪:৫৮ | ৫:০২ | ৬:০৫ |
| ১৮ | ০৮ মার্চ | ৪:৫৮ | ৫:০১ | ৬:০৬ |
| ১৯ | ০৯ মার্চ | ৪:৫৭ | ৫:০০ | ৬:০৬ |
| ২০ | ১০ মার্চ | ৪:৫৬ | ৪:৫৯ | ৬:০৬ |
| ২১ | ১১ মার্চ | ৪:৫৫ | ৪:৫৮ | ৬:০৭ |
| ২২ | ১২ মার্চ | ৪:৫৪ | ৪:৫৭ | ৬:০৭ |
| ২৩ | ১৩ মার্চ | ৪:৫৩ | ৪:৫৬ | ৬:০৮ |
| ২৪ | ১৪ মার্চ | ৪:৫২ | ৪:৫৫ | ৬:০৮ |
| ২৫ | ১৫ মার্চ | ৪:৫১ | ৪:৫৪ | ৬:০৯ |
| ২৬ | ১৬ মার্চ | ৪:৫০ | ৪:৫৩ | ৬:০৯ |
| ২৭ | ১৭ মার্চ | ৪:৪৯ | ৪:৫২ | ৬:০৯ |
| ২৮ | ১৮ মার্চ | ৪:৪৮ | ৪:৫১ | ৬:১০ |
| ২৯ | ১৯ মার্চ | ৪:৪৭ | ৪:৫০ | ৬:১০ |
| ৩০ | ২০ মার্চ | ৪:৪৬ | ৪:৪৯ | ৬:১১ |
* ১ লা রমজান চাঁদ দেখার উপর নির্ভরশীল।
বি.দ্র.: এই সময়সূচিটি বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতীব মহোদয়ের নেতৃত্বে দেশের শীর্ষ মুফতিয়ানে কেরাম কর্তৃক প্রণীত নিয়মানুযায়ী গাজীপুর জেলার জন্য প্রস্তুতকৃত।
নোট: যেটি সাহরীর শেষ সময় সেটিই মূলত সালাতুল ফজরের শুরু সময়। কিন্তু যেহেতু এই সময়সূচিটি পুরো জেলার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে, আর জেলার এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তের সময়ের মাঝে ব্যবধান হয়ে থাকে, তাই পুরো জেলার জন্য একটি সময়সূচি প্রস্তুত করতে এ পদ্ধতি অবলম্বন করতে হয়েছে যে, সাহরীর জন্য জেলার পূর্ব প্রান্তের সুবহে সাদিকের সময় (সেকেন্ড বাদ দিয়ে) উল্লেখ করা হয়েছে। ফজরের আযানের জন্য জেলার পশ্চিম প্রান্তের সুবহে সাদিকের সময় (সেকেন্ডকে পূর্ণ মিনিট করে) উল্লেখ করা হয়েছে এবং ইফতারের জন্য জেলার পশ্চিম প্রান্তের সূর্যাস্তের সময় (সেকেন্ডকে পূর্ণ মিনিট করে) উল্লেখ করা হয়েছে।
(বি. দ্র. বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতীব মহোদয়ের নেতৃত্বে দেশের শীর্ষ মুফতিয়ানে কেরাম কর্তৃক প্রণীত)
স্বাক্ষরসমূহ:
| স্বাক্ষর ১ | স্বাক্ষর ২ | স্বাক্ষর ৩ |
|—|—|—|
| (মুফতী মাহফুজুল হক) | (মুফতী মিজানুর রহমান সাঈদ) | (মুফতী মুহাম্মদ আব্দুল মালেক) |
| গভর্নর | পরিচালক | খতীব |
| বোর্ড অব গভর্নরস, ইসলামিক ফাউন্ডেশন | শাইখ যাকারিয়া ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার | বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ |
আরো জানুনঃ
রমজান মাসে গাজীপুরের মানুষের জীবনযাত্রা— রমজান মাসে এখানে ধর্মীয় আমেজ, সামাজিক মিলন ও দৈনন্দিন রুটিনে কিছুটা পরিবর্তন দেখা যায়👇
ধর্মীয় পরিবেশ ও ঈমানি আমেজ
- রোজাদাররা প্রতিদিন সেহরি থেকে ইফতারের সময় নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী রোজা রাখে। ইসলামী ফাউন্ডেশন বা স্থানীয় সংগঠন থেকে গাজীপুর জেলার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি প্রকাশিত হয়, যাতে সকলে সহজে রোজা পালন করতে পারে।
- দিনের পর দিন মসজিদগুলোতে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পাশাপাশি তারাবি ও কোরআন তেলাওয়াত হয়, বিশেষ করে রাতে।
- অনেক জায়গায় সামাজিক উদ্যোগে দরিদ্রদের জন্য ইফতার বা খাবার বিতরণ হয় — যেমন বড়-ইফতার বা দান কার্যক্রম।
খাদ্য ও সামাজিক মিলন
- ইফতার ও সেহরির সময় পরিবার, বন্ধু ও আশপাশের মানুষের সঙ্গে মিলিত হওয়া সাধারণ। রোজাদাররা সন্ধ্যার দিকে মসজিদ থেকে আজান শুনে ইফতারের আয়োজন করেন — খেজুর, পানি, হালিম, পিয়াজু বা অন্যান্য খাবার।
- কিছু জায়গায় সস্তায় বিশেষ খাবার বা মিলিদের আয়োজন হয় যাতে স্বল্পআয়ের রোজাদাররাও অংশ নিতে পারে।
দৈনন্দিন জীবন
- সকাল-সন্ধ্যার জীবন একটু ধীরগতিতে চলে, কারণ অনেক মানুষ অপেক্ষাকৃত কম সময় খেয়ে কাজ করে।
- ইফতারের আগের এক-দুই ঘন্টা সময়— বাজার বা দোকানগুলো একটু ব্যস্ত মনে হতে পারে, যেন প্রস্তুতি চলে। তবে ইফতারকালে সবাই মিলিত হয়।
- কাজ বা অফিস থাকলে সেটা সাধারণ সময়সূচিতে চলে, কিন্তু রোজাকে কেন্দ্র করে সবাই নিজেদের পরিকল্পনা সামঞ্জস্য করে।
সমাজিক সহানুভূতি
রমজান মাসকে সাধারণত ধর্মীয় ও সামাজিক সহানুভূতির মাস হিসেবেও দেখা হয় — লোকেরা একে অপরকে সাহায্য করে, দয়া-সহনশীলতা বাড়ে এবং অসহায়দের প্রতি মনোযোগ বাড়ে।
সর্বপরি, গাজীপুরে রমজান সাধারণ দিনের তুলনায় একটু শান্ত, ধার্মিক ও লোকালয়ে মিলন-মেশার সময় হয়ে থাকে — যেখানে ধর্ম, পরিবার ও সমাজের গুরুত্ব অনুভূত হয়।
